Saturday, March 23, 2019

মানিকগঞ্জ জেলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী

মানিকগঞ্জ জেলা



মানিকগঞ্জ জেলার সংক্ষিপ্ত  বিবরণী
মানিকগঞ্জ জেলার মানচিত্র

মানিকগঞ্জ জেলা  ঢাকার  নিকটতম ছোট্ট একটা জেলা। এটি ১৯৮৪ সালে জেলায় পরিণত হয়। তার আগে এটি ঢাকার সাথেই ছিল। পোস্ট কোডের নাম্বার ১৮০০।

এই জেলা মোট ৭টি উপজেলা এবং ৬৫টি ইউনিয়ন  নিয়ে  গঠিত।এই জেলার মোট আয়তন ১৩৮৩.৬৬ বর্গ কি.মি.। জনসংখ্যা প্রায় ১,৩৯২,৮৬৭ জন (২০১১)।

 উপজেলা গুলো হলঃ ১.মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা (ইউনিয়ন১০টি), ২.ঘিওর উপজেলা (ইউনিয়ন ৭টি), ৩. দৌলতপুর উপজেলা (ইউনিয়ন ৮টি), ৪.শিবালয়  উপজেলা (ইউনিয়ন ৭টি), ৫.সাটুরিয়া উপজেলা (ইউনিয়ন ৯টি), ৬.সিংগাইর উপজেলা (ইউনিয়ন ১১টি), ৭.হরিরামপুর উপজেলা (ইউনিয়ন ১৩টি)।


দর্শনীয় স্থান সমূহঃ



মানিকগঞ্জ জেলার সংক্ষিপ্ত  বিবরণী
বালিয়াটি জমিদার বাড়ির পুকুর

মানিকগঞ্জ জেলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
মানিকগঞ্জ জেলার সংক্ষিপ্ত  বিবরণী


মানিকগঞ্জ জেলায়  রয়েছে অনেকটি  জমিদার বাড়ি। উল্লেখযোগ্য আছেঃ বালিয়াটি  জমিদার  বাড়ি, তেওতা জমিদার বাড়ি। বালিয়াটি  জমিদার  বাড়িটি মানিকগন্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত। এই জমিদার বাড়িটি মানিকগঞ্জ হতে ১৮ কি.মি. দূরে অবস্থিত ।

আর তেওতা  জমিদার  বাড়িটি  অবস্থিত শিবালয় উপজেলায় । যমুনা নদীর পাশাপাশি এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। এই জমিদার  বাড়িটি মানিকগঞ্জ হতে ২২ কি.মি. দূরে অবস্থিত। এছাড়াও আছে মানিকগঞ্জ নাহার গার্ডেন, নারায়ন সাধুর আশ্রম  এবং ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়, এটি মানিকগঞ্জ হতে ১৮ কি.মি. দূরে সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত ।
এছাড়াও দেশের বিখ্যাত  নদী যমুনা এবং পদ্মা।

এই  ২টি নদী জেলার পাশ দিয়েই প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়াও  প্রবাহিত হয়েছে  ইছামতি নদী ,ধলেশ্বরী নদী এবং কালিগঙ্গা নদী।এইসব নদী থেকে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়।এই জেলায় প্রচুর পরিমাণে  তামাক  চাষ  হয়। অনেকগুলো নদী এই জেলার  উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এখানকার মাটির ধরণ  অধিকাংশই বেলে দোঁআশ।

এছাড়াও চাষ হয় ধান, ভূট্টা, গম, পাট, বাদাম, আখ, লেবু , আলু  এবং   নানান  রকমের  সবজি।

মানিকগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে  চলে গেছে ঢাকা-রাজবাড়ি-শরিয়তপুর হাইওয়ে রাস্তা। মানিকগঞ্জ জেলায় মোট ১৬৬ টি  উল্লেখযোগ্য হাট রয়েছে।

ঝিটকা বাজার, ‍ঘিওর বাজার, মহাদেবপুর বাজার, বরঙ্গাঈল বাজার, সিঙ্গাইর বাজার, বালা বাজার, বাঙ্গালা বাজার,  জামশা বাজার, দিবাড়ী বাজার, বাইরা বাজার, কলিয়া বাজার, ছনকা বাজার, গোপালপুর বাজার, দড়গ্রাম বাজার, সিংজুরী বাজার, তিল্লি বাজার, বাংলাদেশের হাট বাজার, সাভার বাজার, দৌলতপুর বাজার ,বুটিবাজার  ইত্যাদি বাজার মানিকগঞ্জে বিখ্যাত।


এছাড়া মানিকগঞ্জে ৫৪টি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মানিকগঞ্জ বিজয় মেলা, বাহাদিয়া বৈশাখী মেলা, জয়মন্টপ মোডোর মেলা, মজি বাড়ির মেলা, জিন্দাশাহ এর মেলা,রোহিত যাত্রা মেলা, বিলাল পাগলার মেলা, বাহের পাগলার মেলা, বাথাইমুরি মেলা, পুশ মেলা, সাধুর মেলা, ধামশ্বর মেলা ইত্যাদি।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহঃ




১.মানিকগঞ্জ  সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ (১৯৪৩)। এটির প্রতিষ্ঠাতা  টাংগাইলের আর.পি. সাহা। কলেজটি  তার  পিতার নামে প্রতিষ্ঠা হয়। এছাড়াও আছে, 
২.খাঁন-বাহাদুর  আওলাদ হোসেন  খান কলেজ  মানিকগঞ্জ ,
৩. ঘিওর সরকারী কলেজ, ৪. সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ্  ডিগ্রী কলেজ, 
৫.তেরশ্রী  ডিগ্রী  কলেজ,
৬.রাজিবপুর আদর্শ কলেজ মানিকগঞ্জ,
৭.এম. ‍এ রউফ ডিগ্রী কলেজ কৌড়ী, 
৮. বিচারপতি নূরুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ,  ৯.তালুকনগর   ডিগ্রী কলেজ,  
১০.ড. আব্দুর রহিম খান মহিলা  কলেজ,  ১১.মহাদেবপুর ইউনিয়ন ডিগ্রী কলেজ, 
১২. শিবালয় সদর উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ,
১৩.মতিলাল ডিগ্রী কলেজ,
১৪. কলিয়া কারিগরী ও বাণিজ্য কলেজ,
১৫.এম. এ .রাশেদ খান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ও
১৬.বাচামারা  বাঘুটিয়া  চরকাটারী  কলেজ ।
এছাড়াও রয়েছে  মাধ্যমিক  বিদ্যালয় ৪৯ টি,  মাদ্রাসা ১২টি, প্রাথমিক  বিদ্যালয়  ১৩৬টি,  নিম্ন-মাধ্যমিক  বিদ্যালয়  ২টি।

Tuesday, November 7, 2023

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সকল গ্রাম ও ইউনিয়নের নাম

 

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সকল গ্রাম ও ইউনিয়নের নাম

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সকল গ্রাম ও ইউনিয়নের নাম সমূহ

দর্শক আজকে আমি আপনাদেরকে জানাব মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও গ্রামের তালিকা।

আপনি যদি মানিকগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার সকল গ্রামের নাম না জেনে থাকেন তবে আমাদের এই পোস্টটি আপনার জন্য। জেনে নিন আপনার অজানা গ্রাম গুলোর নামের তালিকা এবং কোন গ্রাম কোন ইউনিয়নে অবস্থিত। আমাদের আজকের পোস্টটি আশা করি আপনার অনেক উপকারে আসবে।

মানিকগঞ্জ জেলাটি ঢাকার খুবই নিকট বর্তী ছো্ট্ট একটি জেলা। এই জেলার ১৩৭৮.৯৯ বর্গ কি.মি।

মানিকগঞ্জ জেলাটি মোট ০৭টি উপজেলা এবং তিনটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। মানিকগঞ্জ সদর আসনটি ২ নং আসনের আওতাভুক্ত।

সাতটি উপজেলার নাম গুলো হলো-

১. দৌলতপুর, ২. ঘিওর, ৩. সাটুরিয়া, ৪. হরিরামপুর, ৫. সিংগাইর, ৬. শিবালয় ও ৭. মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা। 

এখন আমরা আলোচনা করব সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও গ্রাম নিয়ে।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় মোট ১০ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

এগুলো হলো-

১. দিঘী ইউনিয়ন, ২. বেতিলা-মিতরা ইউনিয়ন, ৩. জাগীর ইউনিয়ন, ৪. আটিগ্রাম ইউনিয়ন, ৫. পুটাইল ইউনিয়ন, ৬. হাটিপাড়া ইউনিয়ন, ৭. ভাড়াদিয়া ইউনিয়ন, ৮. নবগ্রাম ইউনিয়ন, ৯. গড়পাড়া ইউনিয়ন ও ১০. কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন।

উপরোক্ত প্রতিটি ইউনিয়নের সকল গ্রামের নাম ধারাবাহিকভাবে লিখে দেওয়া হলো-

 

দিঘী ইউনিয়ন

১. চামটা, ২. গুলটিয়া, ৩. লাউতা দক্ষিণ, ৪. পাথরাইল, ৫. লাউতা উত্তর, ৬. বাগজান, ৭. শুশুন্ডা, ৮. রৌহাদহ্, ৯. পিতলাই, ১০. ভাটবাউর, ১১. দিঘী, ১২. কালিয়ানী, ১৩. চান্দরা, ১৪. খাগড়াকুড়ী, ১৫. কোটাই, ১৬. রমনপুর, ১৭. দোলাপাড়া, ১৮. মুলজান, ১৯. ডাউটিয়া, ২০. খরসতাই, ২১. কয়ড়া, ২২. কাগজী নগর, ২৩. ছুটিভাটবাউর, ২৪. নতুন বসতি, ২৫. স্বল্পহাতকোড়া ও ২৬. চাননগর।


কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন

১. কাটিগ্রাম, ২. দশানী, ৩. চান্দরা, ৪. চরমত্ত, ৫. ইমামনগর, ৬. মকিমপুর, ৭. কসবা, ৮. মকিমপুর গাজীপাড়া, ৯. হাজীনগর, ১০. রাজিবপুর, ১১. পারমত্ত, ১২. আলীগঞ্জ, ১৩. গুজুরী, ১৪. দক্ষিণ মকিমপুর, ১৫. পাথরাইল, ১৬. উত্তর মকিমপুর, ১৭. ছোট বারাহিরচর, ১৮. দানিস্তনগর, ১৯. হুরারচর, ২০. বারাহি দিয়ারা, ২১. ভিকরা, ২২. বারাহিরচর, ২৩. বারাহি মোল্লাপাড়া, ২৪. কৃষ্ণপুর কাচারী কান্দি, ২৫. বারাহি মধ্যপাড়া, ২৬. বারাহি জান্নাকান্দি, ২৭. কৃষ্ণপুর উত্তরপাড়া, ২৮. কৃষ্ণপুর মধ্যপাড়া, ২৯. চরকৃষ্ণপুর।

 

নবগ্রাম ইউনিয়ন

১. দোলা, ২. চরবারইল, ৩. বেংরই, ৪. ধলাই, ৫. ছোট বারইল, ৬. নয়াকান্দি, ৭. বালিয়াবিল, ৮. ছকাই, ৯. বাঘুটিয়া, ১০. ছোটঘিওর, ১১. দিঘুলীয়া, ১২.

বেড়িরচর, ১৩. ডুকরী, ১৪. সরুপাই, ১৫. পাছবারইল, ১৬. নবগ্রাম, ১৭. বড়বারইল, ১৮. বিলখৈলা, ও ১৯. গিলন্ড।

 

ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন

১. ধল্যা, ২. পারচৈল্যা, ৩. কাইমতারা, ৪. বেওথা বিজুরী, ৫. বালিরটেক, ৬. ভাটভোগ, ৭. বান্দু মহিষা, ৮. চরবালিরটেক, ৯. বাঘিয়া, ১০. কলাশী, ১১. উত্তর চৈল্যা, ১২. পূবশানবান্ধা, ১৩. চর বধুটি, ১৪. বাইতকোরা, ১৫. বিলচর পাকশিয়া উত্তর পার, ১৬. বিলচর পাকশিয়া দক্ষিন পার, ১৭. নলগোড়া ও ১৮. দক্ষিণ চৈল্যা।


হাটিপাড়া ইউনিয়ন

১. গোলাই, ২. হাটিপাড়া, ৩. পাওনান, ৪. কাজিকোলা, ৫. চেগারঘোনা, ৬. গোবিন্দপুর, ৭. বংখুরী, ৮. জগন্নাথপুর, ৯. গোপালখালী, ১০. ছোট বরুন্ডী, ১১. চরবংখুরী, ১২. রত্নদিয়া, ১৩. বনপারিল, ১৪. পালড়া, ১৫. বধুটি, ১৬. কুমুল্লী, ১৭. বৈট্টা ১৮. চৌকিঘাটা, ১৯. বান্দুমহিষা, ২০. মরনতলী, ২১. দুলর্ভদী, ২২. জায়গীর, ২৩. স্বল্পনন্দপুর ও ২৪. বড় বরুন্ডী।

 

পুটাইল ইউনিয়ন

১. ভাটারা, ২. ঘোস্তা জাহাঙ্গীর নগর, ৩. মাস্তা, ৪. বেগম নগর, ৫. ঘোস্তা বড় নগর, ৬. কৃষ্ণনগর, ৭. ঘোস্তা কাচারী নগর, ৮. লেমুবাড়ী, ৯. হিজলাইন, ১০. উত্তর পুটাইল, ১১. ১২. গকুল নগর, ১৩. ছোট ঘোস্তা, ১৪. মধ্য পুটাইল, ১৫. পশ্চিম হাসলী, ১৬. বালিয়াবিল, ১৭. কাফাটিয়া, ১৮. শিমুলিয়া, ১৯. চরঘোস্তা, ২০. কোনা বাড়ী, ২১. দক্ষিণ গুরুসেওতা, ২২. বাইতরা, ২৩. ভট্টি, ২৪. নুলন্ডী, ২৫. দক্ষিণ পুটাইল, ২৬. ধল্লা, ২৭. পূর্ব হাসলী, ২৮. বেঘনা, ২৯. চান্দরা, ৩০. এগারশ্রী ও ৩১. কৈতরা।

 

আটিগ্রাম ইউনিয়ন

১. বার্তা, ২. পূর্ব আটিগ্রাম, ৩. আটিগ্রাম কুঠি, ৪. মির্জানগর, ৫. পাথালিয়াপাড়া, ৬. কুমুদপুর, ৭. দয়ারামপুর, ৮. মধ্যবড়ুন্ডী, ৯. বাসাই, ১০. কোষাভাঙ্গা, ১১. কোষনাইকান্দি, ১২. মালুটিয়া, ১৩. অনন্তপুর, ১৪. পোড়াপাড়া, ১৫. পুর্ব বাসাই, ১৬. ভগবানপুর, ১৭. উত্তরকেষ্টি, ১৮. ডিহিকাটিগ্রাম, ১৯. হরিহরপট্টি, ২০. পুর্বকেষ্টি, ২১. পশ্চিম আটিগ্রাম, ২২. চন্দ্রদেবপুর, ২৩. রাজনগর, ২৪. মাধবপুর, ২৫. নারিকুলী, ২৬. মাছুরী, ২৭. জাগিরদিঘুলিয়া, ২৮. চরবিরাটি, ২৯. খাসনারিকুলী, ৩০. কালিনগর, ৩১. ফারিরচর, ৩২. চাংগারীপাড়া, ৩৩. দক্ষিণ বরুন্ডী, ৩৪. উত্তর মাধবপুর, ৩৫. সরকার পাড়া, ৩৬. দেবেন্দ্র নগর ও ৩৭. বনকেষ্টি।

 

আরও পড়ুন- মানিকগঞ্জ জেলার সকল দর্শনীয় স্থান সমূহ

জাগীর ইউনিয়ন

১. উকিয়ারা, ২. জয়রা, ৩. বাইচাইল, ৪. নতুন বাইচাইল, ৫. ঘুরখী, ৬.ঢাকুলী, ৭. মেঘশিমুল, ৮. নলকুরিয়া, ৯. ধারীচোরা, ১০. দিয়ারা ভবানীপুর, ১১, জাগীর মেঘশিমুল, ১২. চর মহেশপুর, ১৩. চরমত্ত, ১৪. চান্দির চর, ১৫. গাড়াকুল, ১৬. দিয়ারা গোলড়া চান্দি, ১৭. কামারদিয়া, ১৮. গোলড়া চরখন্ড, ১৯. মহেশপুর, ২০. আঙ্গুটিয়া, ২১. বরিয়াজানি ও ২২. দেবগ্রাম।

 

বেতিলা মিতরা ইউনিয়ন

১. দক্ষিণ বার্থা, ২. পশ্চিম মিতরা, ৩. কৃষ্ণপট্টি, ৪. রতনপুর, ৫. সনসিংগা, ৬. সোনাকান্দর, ৭. আউটপাড়া, ৮. চকগোবিন্দপুর, ৯. বাংগড়া, ১০. তেরদোনা, ১১. গোপালপুর-ভাদুটিয়া, ১২. অষ্টদোনা, ১৩. নালড়া, ১৪. চক গোবিন্দপুর, ১৫. পশ্চিম রাথুরা, ১৬. পশ্চিম ঢাকারবাজু, ১৭. আলগীর চর, ১৮. বিপ্র-বেতিলা, ১৯. দক্ষিণ কৃষ্ণপুর, ২০. বেথুয়াজানী, ২১.বেতিলা, ২২. তালিফাবাদ, ২৩. রামদিয়া, ২৪. বেতিলার চর, ২৫. বড়বড়িয়াল, ২৬. পালড়া, ২৭. দক্ষিণ হাট বড়িয়াল, ২৮. পূর্বহাট বড়বড়িয়াল, ২৯. আমগাছিয়াবাড়ি, ৩০. দক্ষিণ মিতরা, ৩১. ছলন্ডী, ৩২. গোবিন্দপুর, ৩৩. পশ্চিম হাট বড়িয়াল, ৩৪. ছয়দোনা, ৩৫. মধ্যহাট বড়িয়াল, ৩৬. পূর্ব বান্দুটিয়া, ৩৭. ছোট বরিয়াল, ৩৮. হারুমাঝি, ৩৯. পূর্ব মিতরা, ৪০. উত্তর মিতরা ও ৪১. মধ্যমিতরা।

 আরও পড়ুন- ঘিওর উপজেলার সকল গ্রামের নাম


গড়পাড়া ইউনিয়ন

১. সাকরাইল, ২. বিশ্বনাথপুর, ৩. ঘোনা, ৪. খানপুর, ৫. ছোট বাংগালা, ৬. জয়দেবপট্টি, ৭. বড় বাংগালা, ৮. খানপুর, ৯, তেঘুরী, ১০. শ্রীরামবাড়ি,১১. আলীনগর দিয়ারা, ১২. আলীনগর, ১৩. পাঞ্জনখাড়া, ১৪. মধ্যখালপাধোয়া, ১৫. বড় ষাইট্টা, ১৬. বাজেয়াপ্ত ভাটরা, ১৭. পশ্চিম খালপাধোয়া, ১৮. ছোট ষাইট্টা ১৯. দক্ষিণ উথুলী, ২০. উত্তর উথুলী, ২১. গড়পাড়া, ২২. চর গড়পাড়া, ২৩. দক্ষিণ বিল ডাউলী, ২৪. সাগরদিঘী, ২৫. উত্তর বিল ডাউলী।


দর্শক আপনার উপজেলার সকল গ্রামের নাম জানতে আপানার জেলা এবং উপজেলার নাম লিখে কমেন্টস করুন। ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে আপনার উপজেলার প্রতিটি গ্রামের নাম এবং কোন গ্রাম কোন ইউনিয়নে অবস্থিত তা জানতে পারবেন আমাদের এই ওয়েব সাইটিতে। আমরা সারা বাংলাদেশকে নিয়ে লেখার চেষ্টা করব। আপনারা পাশে থাকবেন এবং আপনার জানা সঠিক তথ্য আমাদেরকে জানাবেন, আমরা আমাদের পোস্টের তথ্যগুলো আপডেট করতে পারব। এবং কোনো ভুল তথ্য থাকলে তা সংশোধন করতে পারব।

আরও পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন-

বাংলাদেশের সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়েরনাম

সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েরনাম এবং অবস্থান

পাবনা জেলার বিবরণ ও দর্শনীয়স্থান সমূহ

মানিকগঞ্জ জেলার বিবরণ ও দর্শনীয়স্থান সমূহ

সিরাজগঞ্জ জেলার বিবরণ ও দর্শনীয়স্থান সমূহ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যাল(বুয়েট)

বাংলাদেশের সকল সরকারী পলিটেকনিকইনস্টিটিউট এর নাম

গাজীপুর জেলার বিবরন ও দর্শনীয়স্থান সমূহ

           

           

           

           

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Sunday, November 19, 2023

রাজবাড়ী জেলা

 

রাজবাড়ী জেলা

রাজবাড়ী জেলা

রাজবাড়ী জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত?

রাজবাড়ীকে কেন রেলের শহর বলা হয়?

রাজবাড়ীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য ।

 রাজবাড়ী জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ।

আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলা রাজবাড়ী নিয়ে।

ঢাকা শহর হতে পশ্চিমে ১২৫ কি. মি. পশ্চিমে রাজবাড়ী জেলাটি অবস্থিত। ঢাকা বিভাগের প্রশাসনিক একটি এলাকা রাজবাড়ী জেলা। বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের জেলা রাজবাড়ী। ঢাকা শহর হতে আপনি দুটি উপায়ে রাজবাড়ী জেলায় যেতে পারবেন। প্রথমটি মানিকগঞ্জ শহর দিয়ে পাটুরিয়া ঘাট, সেখান থেকে লঞ্চ বা ফেরিতে পার হতে রাজবাড়ী জেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। আর দ্বিতীয়ত ঢাকা হতে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ফরিদপুর শহর দিয়ে রাজবাড়ী জেলায় প্রবেশ করা যায়। মানিকগঞ্জ হয়ে যদি আপনি রাজবাড়ী জেলায় আসেন তবে আপনার দূরত্ব হবে ১২৫ কি.মি. এর একটু কম বেশি। আর যদি পদ্মা সেতু পার হয়ে ফরিদপুর দিয়ে রাজবাড়ীদে প্রবেশ করেন তবে আপনার দূরত্ব হবে ১৪৫ থেকে ১৫৫ কি.মি. এর মত।


রাজবাড়ী জেলাটি উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশ পথ। এই জেলা দিয়ে আপনার যশোর, সাতক্ষীরা,গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর,পাবনা, বাগেরহাট,খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী,বরগুনা,মাদারীপুর,নড়াইল, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় যেতে পারবেন। রাজবাড়ী জেলার মধ্য দিয়ে হাইওয়ে রোড চলে গেছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।


জেলার অবস্থান-

রাজবাড়ী জেলার উত্তরে পাবনা,পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে মাগুরা ও ফরিদপুর জেলা এবং পশ্চিমে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা অবস্থিত।


জেলার ইতিহাস-

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস থেকে ধারনা করা যায় এই জেলাটি অনেকপূর্বে রাজাদের বসবাসের একটা স্থান ছিল। আগেকার দিনে রাজারা তাদের শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে অঞ্চল ভেদে রাজা নিয়োগ করতেন। আর সেই রাজারা তাদের নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে জমিদারী বা শাসন কার্য পরিচালনা করতেন। 

সেখান থেকে দেখা যায় রাজবাড়ী জেলাটিতে অনেকগুলো জমিদার বাড়ী গড়ে উঠে। লোকমুখে জানা যায় সেই সকল রাজাদের নামানুসারেই রাজবাড়ী জেলার নামকরণ করা হয়। তবে এটা নিশ্চিত জানা যায়নি কোন রাজার নামে এই জেলার নাম করণ করা হয়েছে। পূর্বে রাজবাড়ী নামে কোনো জেলা ছিল না। ইংরেজ শাসনামলে কলকাতা থেকে বাংলায় প্রবেশ করার জন্য রাজবাড়ী এলাকার মধ্য দিয়ে যাতায়াত করতে হতো।

 ঢাকা সহ পূর্ব বঙ্গের জেলা গুলোতে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাটে যেতেই হত। এই জন্য গোয়ালন্দঘাটকে পূর্ব বঙ্গে প্রবেশের প্রবেশদ্বার বলা হতো। আর তাছাড়া ব্রিটিশ শাসনামলে কলকাতা থেকে যশোর হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত রেল লাইন ছিল। তারপর পদ্মা নদী থাকায় সেখানে আর রেল লাইন বা রাস্তা তৈরী করা হয়নি। 

এই গোয়ালন্দ বন্দরটি তখন বেশ ঝাঁকজমক ও ব্যস্ত এবং পরিচিত ছিল। ‍রাজবাড়ী জেলাটি পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে অবস্থিত। আর এর প্রধান শহর রাজবাড়ী জেলা শহর। মূলত জেলা শহরটি রেল লাইনকে কেন্দ্র করেই তখনকার সময়ে গড়ে উঠে। এজন্য এই শহরকে রেলের শহর বলা হয়।

রাজবাড়ী শহরে রেল স্টেশনের পাশেই অনেকগুলো পুরাতন দালান দেখা যায়। যা রেলওয়ের অফিসার্সরা থাকতেন। যা বর্তমানে পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের তৈরী দালানগুলোর নকশা দেখে আপনার চোখ জুড়িয়ে যাবে। অসাধারণ কারুকার্য এবং নকশা আর টেকসই এই ভবনগুলো আজও সারা বংলায় দেখা যায়। বর্তমানে রাজবাড়ী জেলাকে পদ্মা কন্যা উপাধী দেয় জেলা প্রশাসক কর্তৃক।

রাজবাড়ী জেলাটি কৃষি প্রধান একটি জেলা। এখানে প্রচুর পরিমাণে কৃষি কাজ হয়ে থাকে। কৃষিতে এই জেলাটির বিরাট অবদান রয়েছে।

রাজবাড়ী জেলাটি ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা যখন তাদের মানচিত্র তৈরী করেন। তখন এই জেলাটি উত্তর- পশ্চিম ফরিদপুর অঞ্চলের আওতাধীন ছিল। যা বৃহত্তর রাজশাহী এর জমিদারীর একটি অংশ ছিল। পরবর্তী সময়ে এটি যশোর জেলার অংশ হয় এবং এত বড় জেলা একজন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালনা করা কষ্টকর হয়ে পড়ে।

 পরবর্তীকালে ১৮১১ সালে বড় জেলাটিকে ভাগ করে কয়েটি ছোট ছোট জেলায় রুপান্তর করা হয়, আর তখন সৃষ্ট হয় ফরিদপুর জেলার। সেই সময়ে রাজবাড়ী জেলাটি ফরিদপুর জেলার মহকুমা হিসেবে ছিল। আর ১৮৭১ সালে গোয়ালন্দ গোয়ালন্দ মহকুমা গঠিত হয়। রাজবাড়ী জেলার বর্তমান উপজেলাগুলো একেক সময় একেক জেলার অধীনে ছিল। এক সময় পাংশা থানা পাবনা জেলার অধীনে ছিল। এর পরে ১৮৫৯ সালে বালিয়াকান্দি ও পাংশা উপজেলা কে কুমারখালী মহকুমার অধীনে নেওয়া হয়।

১৯৮৩ সালে সারা বাংলার মান উন্নত থানাগুলোকে উপজেলায় রুপান্ত করা হয়। আর ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ রাজবাড়ী উপজেলাকে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।


রাজবাড়ী জেলার প্রশাসনিক এলাকা সমূহ-

রাজবাড়ী জেলাটি মোট ৫টি উপজেলা এবং ৩টি পৌরসভা এবং ৪২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। জেলার পোস্ট কোড ৭৭০০ এবং জেলার প্রশাসনিক বিভাগের কোড ৩০৮২।

উপজেলাগুলো হলো-

১. রাজবাড়ী সদর উপজেলা,

২. পাংশা উপজেলা,

৩. গোয়ালন্দ উপজেলা,

৪. কালুখালী উপজেলা ও

৫. বালিয়াকান্দি উপজেলা।

আর এর মধ্যে তিনটি পৌরসভা হলো-

১. রাজবাড়ী, ২. পাংশা ও ৩. গোয়ালন্দ পৌরসভা।

রাজবাড়ী জেলায় ২টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এগুলো হলো- আসন নং ১. রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ (সংসদীয় আসন নং ২০৯), আসন নং ২. পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি(সংসদীয় আসন নং ২১০)।

রাজবাড়ী সদর উপজেলায় মোট ১৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। 

এগুলো হলো-

১. মিজানপুর ইউনিয়ন, ২. দাদশী ইউনিয়ন, ৩. রামকান্তপুর ইউনিয়ন, ৪. বসন্তপুর ইউনিয়ন, ৫. খানগঞ্জ ইউনিয়ন, ৬. সুলতানপুর ইউনিয়ন, ৭. বরাট ইউনিয়ন, ৮. চন্দনী ইউনিয়ন, ৯. পাঁচুরিয়া ইউনিয়ন, ১০. বানীবহ ইউনিয়ন, ১১. আলীপুর ইউনিয়ন, ১২. খানখানপুর ইউনিয়ন, ১৩. শহীদওয়াহাবপুর ইউনিয়ন ও ১৪. মূলঘর ইউনিয়ন।

গোয়ালন্দ উপজেলায় মোট ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। 

এগুলো হলো-

১. দৌলতদিয়া ইউনিয়ন, ২. উজানচর ইউনিয়ন, ৩. দেবগ্রাম ইউনিয়ন ও ৪. ছোটভাকলা ইউনিয়ন।

পাংশা উপজেলায় মোট ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে। 

এগুলো হলো-

১. বাহাদুরপুর, ২. হাবাসপুর, ৩. যশাই, ৪. বাবুপাড়া, ৫. মৌরাট, ৬. পাট্টা, ৭. সরিষা, ৮. কলিমহর, ৯. কসবামাজাইল ও ১০. মাছপাড়া ইউনিয়ন।

বালিয়াকান্দি উপজেলায় মোট ৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। 

এগুলো হলো-

১. ইসলামপুর ইউনিয়ন, ২. বহরপুর ইউনিয়ন. ৩. নবাবপুর ইউনিয়ন, ৪. নারুয়া ইউনিয়ন, ৫. বালিয়াকান্দি ইউনিয়ন, ৬. জংগল ইউনিয়ন ও জামালপুর ইউনিয়ন।

কালুখালী উপজেলায় মোট ৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। 

এগুলো হলো-

১. রতনদিয়া ইউনিয়ন, ২. কালিকাপুর ইউনিয়ন, ৩. বোয়ালিয়া ইউনিয়ন, ৪. মাঝবাড়ী ইউনিয়ন, ৫. মদাপুর ইউনিয়ন, ৬. মৃগী ইউনিয়ন ও ৭. সাওরাইল ইউনিয়ন।

 রাজবাড়ী জেলার আয়তন-

রাজবাড়ী জেলার মোট আয়তন ১০৯২.৩০ বর্গ কি.মি.।


জেলার প্রধান প্রধান নদ-নদীর নাম- 

১. পদ্মা, ২. গড়াই, ৩. হড়াই, ৪. চন্দনা, ৫. কুমার ও ৬. চিত্রা নদী। জেলার সীমানা ঘেঁষেই রয়েছে পদ্মা ও যমুনা মিলিত স্থান। এটি আরিচা ঘাটের অন্তর্গত

জেলার মোট জনসংখ্যা ও ভোটার সংখ্যা-

রাজবাড়ী জেলার মোট জনসংখ্যা ১,১৮৯,৫০১ জন। এটি ২০২২ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী।

এর মধ্যে পুরুষ ৫৮১,৯০৭ জন এবং নারী রয়েছে ৬০৭,৪৯৯ জন আর তৃতীয় লিঙ্গের সংখ্যা মোট ৯৫ জন। জেলার আয়তন অনুসারে প্রতি বর্গ কি.মি. তে বসবাস করে ১,০৮৮.৯৮৭ জন।

জেলার মোট ভোটার সংখ্যা-

রাজবাড়ী জেলায় মোট ভোটার রয়েছে ৮,০৮,৬৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৪,০৮,৫১১ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ৪,০০,১৭৮ জন। এটি ২০১৮ সালের নির্বাচনের তথ্য অনুযায়ী।

 

রাজবাড়ী জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ-

রাজবাড়ী জেলায় অনেক সুন্দর সুন্দর দর্শনীয় স্থান রয়েছে। আপনারা চাইলে অবসর সময়ে এইসব দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করে আসতে পারেন। প্রধান প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম হলো-

১. কথা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কমপ্লেক্স,

২. এক্রোবেটিক সেন্টার,

৩. আবুল হোসেন ট্রাস্ট ও মিউজিয়াম,

৪. কুটি পাঁচুরিয়া জমিদার বাড়ী,

৫. গোদার বাজার পদ্মা নদীর তীর,

৬. রতনদিয়া সুইচ গেট,

৭. কল্যাণদিঘি,

৮. রথখোলা সানমঞ্চ বেলগাছি,

৯. চাঁদ সওদাগরের ঢিবি,

১০. শাহ পাহলোয়ানের মাজার,

১১. মুকুন্দিয়া জমিদার বাড়ি,

১২. বিল পুঠিয়া,কোলারহাট,

১৩. নলিয়া জোড় বাংলা মন্দির - নলিয়া বালিয়াকান্দি,

১৪. সমাধিনগর মঠ - বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়ন,

১৫. রাজবাড়ি সরকারি কলেজ,

১৬. নীলকুঠি,

১৭. দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরী ঘাট,

১৮. মাজবাড়ী গ্রাম, সোনাপুর বাজার,

১৯. মাশালিয়া ব্রিজ,

২০. বারেক গ্রাম,

২১. আবু হেনা পার্ক বাহাদুরপুর, পাংশা,

২২. আবাসন, বহরপুর,

২৩. জামাই পাগলের মাজার - আহলাদিপুর মোড় রাজবাড়ী শহরের  দক্ষিণ-পূর্বে দিকে,

২৪. বিশই সাওরাইল জমিদার বাড়ি,

২৫. রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের লাল ভবন,

২৬. ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাট,

২৭. দাদ্শী মাজার শরীফ রাজবাড়ী,

২৮. রাজবাড়ী রেইলওয়ে স্টেশন,

২৯. রাজবাড়ী স্টেডিয়াম ও

৩০. রাজবাড়ী উপজেলা মডেল মসজিদ।

রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন উৎসবের মধ্যে রয়েছে-

১. নবান্ন উৎসব ও ২. পিঠা উৎসব। যেহেতু জেলাটি কৃষি প্রধান একটি জেলা।সুতরাং এই জেলায় পিঠা উৎসব ও নবান্ন উৎসব তো থাকবেই। নবান্ন মানে নতুন ফসল ঘরে তোলার উৎসব। কৃষক যখন নতুন ধান কেটে ঘরে তুলে তখন তাদের মধ্যে একধরনের আনন্দ উৎসব কাজ করে। আর তখন তারা নতুন ধানের চাল দিয়ে পিঠা উৎসব করে থাকে।

এই জেলায় ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীও রয়েছে। 

এরা হলো-

বুনো, বিন্দি, বেহারা, বাগদী, কোল।

বাংলাদেশ পশ্চিম পাকিস্তান হতে এই দেশ স্বাধীন করেন ১৯৭১ সালে। আর বাংলার প্রতিটি মানুষই এই যুদ্ধের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রতিটি জেলায়ই মুক্তিযুদ্ধের কিছু স্মৃতি বিজরিত কথা ও স্থান রয়েছে। তারমধ্যে রাজবাড়ী জেলায়ও কিছু মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রয়েছে। আর সেগুলো হলো-

১. মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি,

২. লোকোশেড বধ্যভূমি,

৩. গোয়ালন্দের গণকবর ও

৪. পাংশার তারাপুর ব্রিজ বধ্যভূমি।

 

শিক্ষা- প্রতিষ্ঠানের তালিকা-

রাজবাড়ী জেলায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেগুলো থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা মান সম্মত শিক্ষা লাভ করে দেশের জন্য অবদান রাখছেন।

জেলার শিক্ষার হার ৫২.৩%। জেলায় বিভিন্ন ধরনের সরকারী ও বেসরকারী স্কুল ও কলেজ রয়েছে।

এই জেলায় মোট ৪১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে মোট ১৪০টি যার মধ্যে ৪টি সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ রয়েছে মোট ২৫ টি তার মধ্যে ২টি সরকারী কলেজ।

রাজবাড়ী জেলার কিছু উল্লেখযোগ্য শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,

২. রাজবাড়ী সরকারি কলেজ,

৩. সরকারী মহিলা কলেজ, রাজবাড়ী,

৪. সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ রাজবাড়ী,

৫. পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়,

৬. পাংশা সরকারি কলেজ,

৭. ডক্টর আবুল হোসেন কলেজ,

৮. কালুখালি সরকারি কলেজ,

৯. ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন ডিগ্রি কলেজ হাবাসপুর, পাংশা,

১০. কলিমহর জহুরুন্নেছা ডিগ্রি কলেজ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পাংশা,

১১. মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ,

১২. বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়,

১৩. রাজধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়,

১৪. ইয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ পাংশা,

১৫. রাজবাড়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,

১৬. বালিয়াকান্দি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়,

১৭. পাংশা জর্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,

১৮. টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,

১৯. অংকুর স্কুল ও কলেজ,

২০. আল গাজ্জালী উচ্চ বিদ্যালয়,

২১. আল্লা নেওয়াজ খায়রু উচ্চ বিদ্যালয়,

২২. আলহাজ নিজাম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়,

২৩. ইয়াছিন উচ্চ বিদ্যালয়,

২৪. জালদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,

২৫. কোলা সদর উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়,

২৬. মূলঘর উচ্চ বিদ্যালয়,

২৭. মাটিপাড়া কাজী ছমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়,

২৮. মর্জৎকোল উচ্চ বিদ্যালয়,

২৯. বার্থা উচ্চ বিদ্যালয় ও

৩০. ধুলদি জয়পুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

এছাড়াও আরও অনেক সরকারী ও বেসরকারী স্কুল কলেজ রাজবাড়ী জেলায় রয়েছে।

 

 

 

 

রাজবাড়ী জেলার গুনীব্যক্তিত্ব যারা-

১. কাজী মোতাহার হোসেন বাংলাদেশী পরিসংখ্যানবিদ, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী।

২. মীর মোশারফ হোসেন কথা সাহিত্যিক, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।

৩. সোহেলী আক্তার বাংলাদেশী জাতীয় মহিলা দলের একজন ক্রিকেটার। তিনি বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে থাকেন।

৪. খবিরুজ্জামান বীর বিক্রম।

৫. এম বজলুল করিম চৌধুরী সচিব।

৬. রশিদ চৌধুরী অধ্যাপক ও চিত্রশিল্পী।

৭. রোকনুজ্জামান খান লেখক ও সংগঠক

৮. শ্রীরিশ চন্দ্র দেব দাস - রাজবাড়ী জেলার বিখ্যাত একজন জমিদার। পুরান ঢাকার বিখ্যাত  শ্রীশ দাস লেন তাঁর নামেই নামকরণ করা হয়। তাঁর জমিদারি পরিচালিত হতো বিশই সাওরাইল জমিদার বাড়ি থেকে।

৯. মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী -তিনি বাংলা ভাষার একজন লেখক ও সাহিত্যিক।

১০. কাজী আবদুল ওদুদ একজন বাংলাদেশী প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার।

১১. মৌলভি তমিজউদ্দিন খান - রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তান গণপরিষদ ও জাতীয় পরিষদের সাবেক স্পিকার।

১২. মনসুর উল করিম - একুশে পদক প্রাপ্ত চিত্রশিল্পী ও শিক্ষক।

এছাড়াও আরও অনেক জ্ঞানী গুনী এই জেলায় জন্ম গ্রহন করেছেন।


রাজবাড়ীর জেলার কৃষি-

রাজবাড়ী জেলায় প্রচুর পরিমানে কৃষি কাজ হয়ে থাকে। এই অঞ্চলে তেমন বড় বড় কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান নেই। তাই এদের প্রধান পেশা কৃষিই। এই জেলার কৃষি কাজ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছে।

রাজবাড়ী জেলায় প্রচুর পরিমাণে ধান, পাট, সরিষা, সবজি, সুর্যমুখী, গম, ভূট্টা, আলু, মাল্টা,পেয়ারা, পটল, বেগুন,লাউ, মরিচ ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষ হয়। এই জেলায় তিনটি করে ফসল হয় প্রতি বছর। কাজেই এই জেলার কৃষির প্রতি সরকার বেশি যত্নবান। প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে উপসহকারী কৃষি অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন।তারা সব সময় কৃষি বিষয়ক পরামর্শ কৃষকের কাছে সব সময় দিয়ে থাকে। আর সরকারীভাবে বিভিন্ন প্রণোদনাও কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়। কৃষিই সমৃদ্ধি, কৃষিই আমাদের দেশকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

দর্শক আমাদের পোস্টে যদি কোনো ভুল তথ্য থাকে তবে অবশ্যই কমেন্টস করে জানাবেন। আমরা আপনার তথ্য যাচাই করে আমাদের পোস্টটি পুনরায় আপডেট করব ইনশা-আল্লাহ।


আরও পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন-


পাবনা জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

সিরাজগঞ্জ জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

মানিকগঞ্জ জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

কুষ্টিয়া জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ.

জামালপুর জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

মাগুরা জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

যশোর জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

গাজীপুর জেলা ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান সমূহ,

Sunday, March 24, 2019

সিরাজগঞ্জ জেলা


                                               সিরাজগঞ্জ জেলা 

সিরাজগঞ্জ  জেলা


সিরাজগঞ্জ  জেলা  হলো  বাংলাদেশের  অন্যতম   একটি   জেলা। যা  রাজশাহী   বিভাগের   অন্তর্ভুক্ত  একটি  জেলা। এর  আয়তন  প্রায়  ২,৪৯৭.৯৫  বর্গ  কি. মি. , জনসংখ্যা  প্রায় ৩২,২০,৮১৪ জন (২০১১)। বাংলাদেশের  সংসদীয়  আসন  ৬টি। এই  জেলাটি  বাংলাদেশের  অন্যতম  বড়  নদী  যমুনার  পাশেই অবস্থিত।  এই  জেলাটিতে  মোট  ৫২ টি  বিল   ৮টি  নদী  আছে, এর মধ্যে রয়েছে  বারাল নদী,  ইছামতি  নদী, করতোয়া  নদী  ও ফুলজুরি নদী।   এই  জেলাটি  ১৯৮৪  সালে প্রতিষ্ঠিত  হয়। এর  পোস্ট   অফিসের  নম্বর  (৬৭০০-৬৭৬০)। সিরাজগঞ্জ  জেলা  উত্তর  বঙ্গের  প্রবেশদ্বার।  এটির   উত্তরে  বগুড়া  জেলা ও  নাটোর  জেলার  সীমানা  , পশ্চিমে নাটোর জেলা ও পাবনা  জেলা  এবং  দক্ষিণে পাবনা  জেলা ও মানিকগঞ্জ  জেলা, পূর্বে মানিকগঞ্জ  জেলা, জামালপুর  জেলা   টাংগাইল  জেলার  সীমানা  অবস্থিত।
জেলার  মোট  নয়টি  উপজেলা  রয়েছে  এবং থানার  সংখ্যা ১২ টি।  উপজেলা  গুলো  হলঃ ১. উল্লাপাড়া  উপজেলা,  ২. কামারখন্দ  উপজেলা,  ৩. চৌহালি  উপজেলা,  ৪. কাজীপুর   উপজেলা,  ৫. শাহজাদপুর  উপজেলা, ৬. বেলকুচি  উপজেলা, ৭. রায়গঞ্জ উপজেলা, ৮. তরাশ  উপজেলা  ও ৯.সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা।
তাছাড়াও  জেলাটিতে  আছে  ৬ টি  পৌরসভা  এবং  ৮৩  টি  ইউনিয়ন    এবং                         ২১৮০  টি  গ্রাম।  তবে  সবচেয়ে  বড়  উপজেলা  উল্লাপাড়া  এবং  সবচেয়ে  ছোট     উপজেলা   কামারখন্দ।  যমুনা  সেতুটি  এই  জেলাতেই  । এই  সেতুর  দৈর্ঘ্য  ৪.৮ কি. মি. এবং ৫০ টি  স্তম্ভ   ৪৯ টি  স্প্যান  রয়েছে।  এই  সেতু  ঢাকার  সাথে উত্তর বঙ্গের  সেতুবন্ধন  তৈরি  করেছে।


দর্শনীয় স্থানসমূহ-


সিরাজগঞ্জ  জেলা
যমুনা সেতু
সিরাজগঞ্জ  জেলা
সিরাজগঞ্জ ইকু পার্ক

যমুনা সেতু, ইকু পার্ক,  রবীন্দ্রনাথের  কুঠিবাড়ি,  এনায়েতপুরের   মাজার, ক্লোজার পয়েন্ট   ইত্যাদি উল্ল্যখযোগ্য।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহঃ

১. বেসরকারী  মেডিক্যাল  কলেজ  ১টি,  ২.  মেডিক্যাল  এ্যাসিসট্যান্ট  ট্রেনিং  স্কুল ১টি, ৩. পলিটেকনিক  ইন্সটিটিউট  ১টি।
মহাবিদ্যালয়ের  সংখ্যা ৭৭ টি, উচ্চ  মাধ্যমিক   বিদ্যালয়ের  সংখ্যা  ৩৭৪ টি, সরকারী  প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের  সংখ্যা  ৮৮০ টি,  বেসরকারী  রেজিঃ  বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৮৩ টি, মাদ্রাসার  সংখ্যা  ২১১টি,  এবতেদায়ী  মাদ্রাসা  ১৪৫ টি।

আরও পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন-


ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়


বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়


যশোর জেলার পরিচিতি ও দর্শনীয় স্থান সমূহ


নতুন কম্পিউটার কেনার আগে যে ৪টি বিষয় আপনার খেয়াল রাখতেই হবে


কম্পিইটার ভাইরাস কি?


বাংলাদেশের সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম


বাংলাদেশের সকল সরকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নামগুলো